Sunday, April 25, 2021

শ্রী সানওয়ালিয়া সেঠ কৃষ্ণ, ভিটোবা দেব, কেশব

শ্রী সানওয়ালিয়া সেঠ কৃষ্ণ বিগ্রহ অন্য বিগ্রহ থেকে আলাদা। এখানে কৃষ্ণের সহিত বংশীর সহিত তলোয়ারও দেখা যায়।




প্রভু কৃষ্ণ কতৃক কেশী দানবকে মারার সময় তার চুলে রক্ত লাগে। সেই চুল ধৌত করা হয় যে ঘাটে সেটািই কেশীঘাট নামে পরিচিত।




খোদিত ভাষ্কর্জটি ৫ম শতাব্দীর গুপ্ত সময়কালের।






ওঁম ভিট্টালা নম।
কৃষ্ণ বা বিষ্ণুর আরেকরুপ।
পুন্ডালিক মন্দির, মহারাস্ট্র।
আদি শঙ্করাচার্যের ভিটোবা দেবের উপাসনা হেতু পান্ডুরঙ্গাষ্টকাম রচনা করেন।

বিষ্ণু শিব ‍লিঙ্গের উপর দ্বাড়িয়ে:

জয় জনার্ধন।





বিষ্ণু কিসের উপর দ্বাড়িয়ে?
বিষ্ণুমুর্তি মন্দির, হানদাদি, উডুপি।

মাধ্বাচার্য্য:

 মাধ্বাচার্য্য:



   


দক্ষীনা কাশি ক্ষেত্র

চেলামত্তম শ্রীকৃষ্ণ ক্ষেত্র যাকে দক্ষীনা কাশিও বলে। কালাডিএর নিকটে।







এই স্থানে পূর্বে শঙ্করাচার্য্য কৃষ্ণ বিগ্রহ ও নরসিংহ বিগ্রহের উপাসনা করতেন বলে ধারনা করা হয়।

বেদ শুধুমাত্র চারজন ঋষির কাছে আসেনি:

বেদ মন্ত্র রচনার সময় কয়েকজন ঋষি বহাল তবিয়াতে অবস্থান করছিলেন। অথচ এই ঋষি সৃষ্ট সংহিতাগুলি তথাকথিত আর্য্য সমাজিরা প্রক্ষিপ্ত বলতে দ্বিধা করে না। হাস্যকর যুক্তি তাদের।







দধ্যঙ্ হ মে জন্ ষং পূর্বো অঙ্গিরাঃ প্রিয়মেধঃ কন্বো অত্রির্মনুবিদুস্তে মে পূর্বে মনু র্বিদু।
তেষাং দেবেষ্বায়তিরস্মাকং তেষুনাভয়ঃ।
তেষাং পদেন মহ্যা গিরিন্দ্রাগ্নী আ নমে গিরা।


ভাবার্থঃ ('দধ্যাং) প্রাচীন দধীচি; পুর্ব, অঙ্গিরা, প্রিয়মেধ, কন্ব, (অত্রি ব মনু' হি)অত্রি ও মনু প্রভু কে দর্শন করেন। (মে ভি)আমিও (উনকা ভাতি) ওনাদের মতো (আপনে সে) নিজের দ্বারা (ব্রহ্ম ব ক্ষত্র কা বিকাশ) ব্রহ্মের স্থানের বিকাশ (করতা হুয়া প্রভুদর্শন কে যজ্ঞ বনতা হু) করে প্রভু দর্শনের যজ্ঞ করি।

........ ঋগ্বেদ ১/১৩৯/৯ সনামধন্য তথাকথিত আর্য্যসমাজি হরিশরন স্বীদ্ধান্ত লঙ্কার এরা ভাষ্য।

শিব-পার্বতীর বিয়ের বিগ্রহ








ছবিতে পরমেশ্বর বিষ্ণু পরমেশ্বরী পার্বতীকে পরমেশ্বর রুদ্রদেবের হস্তে তুলে দিচ্ছেন। শিব-পার্বতীর বিয়ের বিগ্রহ।

Saturday, April 24, 2021

বিষ্ণুর গোপাল রুপ:

 বিষ্ণুর গোপাল রুপ:





ত্রীণি পদা বি চক্রমে বিষ্ণুর্গোপা অদাভ্যঃ। অতো ধর্মাণি ধারয়ন্।।

অনুবাদঃ জগতের রক্ষক অহিংসিত বিষ্ণুর গোপালরুপ অগ্নি, বায়ু ও আদিত্য রুপে তিন স্থান চক্র ধারন এবং ধর্ম ধারন করে আছেন।
..... শুক্ল যজুর্বেদ ৩৪/৪৩।

বিষ্ণুর পরম পদ:

বেদে বিষ্ণুর চেয়ে উৎকৃষ্ট কিছু নাই। বিষ্ণুই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্ব্বোত্তম:




ছবিটি হজর রাম মন্দির, হাম্পি, কর্নাটকা।



লহ্মী পতি বিষ্ণু  ও নিবাসস্থল বৈকুণ্ঠ
................... ঋগ্বেদ ১০মন্ডল ৪৭ নং  ও ৪৮ নং সুক্ত।




বিষ্ণোঃ কর্মণি পশ্যত যত ব্ৰতানি পস্পশে। ইন্দ্রস্য যুজ্য সখা।।৩৩॥

................ শুক্ল যজুর্বেদ ১৩/৩৩।



স হোবাচ বালিকির্য........... ইন্দ্রো বৈকুণ্ঠোহপরাজিতা সেনেতি বা অহমেতমুপাস ইতি...........। 

............... কৌষিতকি উপনিষধ ৪/৭ অথবা ৩৭।



দৈব্য ইন্দ্রায় বিষ্ণু: সুকৃতে সুকৃত্তর

এখানে ইন্দ্র ও বিষ্ণু এক

.............. ঋগ্বেদ ১/১৫৬/০৫



ইন্দ্রায় বৃষ্ণে সুমখায় সহ্যং সখ্যে সখায়স্তন্বে তনূভি:

.............. ঋগ্বেদ ১/১৬৫/১১



বেদের ইন্দ্র যে লহ্মী পতি বিষ্ণুরই স্বরুপ এই সুক্ত ও মন্ত্রগুলি থেকে স্পস্ট ভাবেই প্রমান হয়।


আসুন দেখে নেই বিষ্ণুর মাহাত্ম্য:


বিষ্ণো পরমং পদম



……… শুক্ল যজুর্বেদ ৬/৩

দেবতারাং বিষ্ণু: পরমো।

……… কৃষ্ণ যজুর্বেদ ৫/৫/১


বিষ্ণুরুপায়

………… কৃষ্ণ যজুর্বেদ ৪/৪/৯

তদ্বিষ্ণো: পরমং পদং সদা পশ্যান্তি সূরয়:। দিবীব চক্ষুরাততম্।




………  শুক্ল যজুর্বেদ ৬/৫


তদ্বিপ্রাসো বিপন্যবো জাগৃবাংসঃ সমিন্ধতে। বিষ্ণো র্যৎপরমং পদম্।



......... শুক্লযজুর্বেদ ৩৪/৪৪।



যস্ত্ববিজ্ঞানবান্ ভবত্যমনস্ক: সদাশুচি:
ন স তৎপদমাপ্নোতি সংসারং চাধিগচ্ছতি।।৭।।
যস্তু বিজ্ঞানবান্ ভবতি সমনস্ক: সদা শুচি:।
স তু তৎপদমাপ্নোতি যস্মাৎ ভূয়ো ন জায়তে।।৮।।
বিজ্ঞাণসারথির্যস্তু মন:প্রগ্রহবান্ নর:।
সোহধ্বন: পারমাপ্নোতি তদ্বিষ্ণো: পরমং পদম্।।৯।।


................. কঠ উপনিষদ ১/৩/(৭-৯)



বিষ্ণ: পরমং পদম

................. ঋগ্বেদ ১/১৫৪/৬


অস্য দেবস্য মীড়হুষো বয়া বিষ্ণোরেসষ্য প্রভুতে হবির্ভি: ।

অনুবাদ: অন্যদেবগণ যজ্ঞে হব্যদ্বারা প্রাপনীয় আর অভিষ্ঠদাতা বিষ্ণুর শাখা/অংশ স্বরুপ।
............ ঋগ্বেদ ৭/৪০/৫






এখন কেউ বলতে পারেন বেদের বিষ্ণু বলতে সূর্যকে বোঝায়


বেদে বিষ্ণুর সূর্য ছাড়াও অন্য রুপের বর্ণনা পাওয়া যায়


কিমিত্তে বিষ্ণো পরিচক্ষ্যং ভূৎপ্র যদ্ববক্ষে শিপিবিষ্টো অস্মি।
মা বর্পো অস্মদপ গূহ এতদ্যদন্যরুপ: সমিথে বভূথ।।

এই মন্ত্রে বিষ্ণুর শিপিবিষ্ট ছাড়াও অন্য রুপের কথা পাওয়া যায়।

................... ঋগ্বেদ ৭/১০০/৬



মন্ত্র: অস্তারমেষি সূর্য এবং মন্ত্রের দেবতা ইন্দ্র

এখানে শিপিবিষ্ট(সূর্য) রুপী ইন্দ্রের কথা বলা হচ্ছে।

................. ঋগ্বেদ ৮/৯৩/১




বিষ্ণবে শিপিবিষ্টায় স্বাহা, বিষ্ণবে নরন্ধিষায় স্বাহা


এখানে শিপিবিষ্ট (বিবস্বান/সূর্য্য) ও নরন্ধিষ (জগৎকর্তা)
......... শুক্ল যজুর্বেদ ৮/৫৫।


মন্ত্র: বিশ্বেত্তা বিষ্ণুরাভরদুরক্রমস্ত্বেষিত: মন্ত্রের দেবতা ইন্দ্র

ইন্দ্রের সকল জল বিষ্ণু প্রদান করেছেন।



নিরুক্তিকার যাস্কও বিষ্ণুর দুই রুপের কথায় বলেছেন।



সবিতুশ্চ বিষ্ণোরা সূর্যা

অনুবাদঃ দীপ্তিময় সবিতা, বিষ্ণু ও সূর্য
....... ঋগ্বেদ ১০/১৮১/০৩।

এই মন্ত্রে বিষ্ণু ও সূর্য্য আলাদা তাই স্পষ্টভাবে প্রমান হয় বিষ্ণুর দুটি রুপ।




বেদে বিষ্ণুরই গুনকীর্তন করতে ও হব্য প্রদান করতে বলেছেন


আস্য জানান্তো নাম চিদ্বিবক্তন মহস্তে বিষ্ণো সুমতিং ভজামহে

এখানে বিষ্ণুর নাম জেনে কীর্তন করতে বলা হয়েছে। বিষ্ণুর সুমতি হোক বলা হয়েছে।

.................... ঋগ্বেদ ১/১৫৬/৩


স এষ যে চৈতস্মাদর্বাঞ্চো লোকাস্তেষাং চেষ্টে মনুষ্যকামানাং চেতি তদ্ য ইমে বীণায়াংগায়স্ত্যেং তে গায়ন্তি তস্মাত্তে ধনসনয়ঃ।।


অনুবাদঃ আধ্যাত্মিক আত্মা হইতে অধস্তন যে সকল লোক আছে, চাক্ষুষ পুরুষ সেই সমুদয় লোকের ঈশ্বর এবং মনুষ্যদিগের কামনারও ঈশ্বর। বীণা-সংযোগে গান করে, তাহারা ইহারই গান করে এজন্য তাহারা ধনবান হইয়া থাকে।
........ ১/৭/৬ ছান্দোগ্য উপনিষদ



বিষ্ণুং স্তোমাস: পুরদস্মমর্কা ভগস্যেব কারিণো যামণি গ্মন্।

এখানে বিষ্ণু স্তোত্র, শস্ত্র ও যজ্ঞ বিষ্ণুর নিকট গমনের কথা বলা হচ্ছে।

................... ঋগ্বেদ ৩/৫৪/১৪



য: পূর্বায় বেধসে নবীয়সে সুমজ্জানয়ে বিষ্ণবে দদাশতি

এখানে বিষ্ণুকে হব্য প্রদানের কথা বলেছেন।
................... ঋগ্বেদ ১/১৫৬/০২



নূ মর্তো দয়তে সনিষ্যন্যো বিষ্ণব উরুগয়ায় দাশ।
প্র য: সত্রাচা মনসা যজাত এতোবন্তং নর্যমাবিবাসাৎ।।

এখানে কীর্তনীয় বিষ্ণুকে হব্য দান করেন, যিনি যুগপৎ স্ত্রোত দ্বারা পূজা করার কথা রয়েছে।
.................. ৭/১০০/১


বিষ্ণুর্যোনিং কল্পয়তু ত্বষ্টা রুপাণি পিংশতু।

অনুবাদঃ বিষ্ণু নারীর অঙ্গকে গর্ভধানের উপযুক্ত করে দিন, ত্বষ্টা গর্ভস্থ সন্তানের অবয়ব স্থির করে দিন।
........ ঋগ্বেদ ১০/১৮৪/১




মম যোনির্মহদ্ ব্রহ্ম তস্মিন্ গর্ভং দধাম্যহম্।
সম্ভবঃ সর্ব্বতভূতানাং ততো ভবতি ভারত।।
অনুবাদঃ হে ভারত, প্রকৃতিই আমার গর্ভদান-স্থান। আমি তাহাতে গর্ভধান করি, তাহা হইতে সর্ব্বভূতের উৎপত্তি হয়।
....... গীতা ০৩



সর্ব্বযোনিষু কৌন্তেয় মূর্ত্তয়ঃ সম্ভবন্তি যাঃ।
তাসাং ব্রহ্ম মহদ্ যোনিরহং বীজপ্রদঃ পিতা।।
অনুবাদঃ হে কৌন্তেয়, দেবমনুষ্যাদি বিভিন্ন যোনিতে যে সকল শরীর উৎপন্ন হয়, প্রকৃতি তাহাদের মাতৃস্থানীয়া এবং আমিই তাদের গর্ভদানকর্তা পিতা।
....... গীতা ০৪

মধুশ্চ মাধব

 ছবিটি চেন্নাকেশব মন্দির কিংবা কেশব মন্দিরের। দক্ষিন কর্নাটকে অবস্থিত।




মধুশ্চ মাধবশ্চ শুক্রশ্চ শুচিশ্চ নভশ্চ নভস্যশ্চেষশ্চোর্জ্জশ্চ সহশ্চ সহস্যশ্চ তপশ্চ তপস্যশ্চোপযামগৃতীতোহসি সংসর্পোহস্যংহস্পত্যায় ত্বা।




অনুবাদঃ হে ভগবান, তুমি মধু ও মাধব(কৃষ্ণ-গীতা ১/১৪), তুমি জ্যোতির্ময় ও শুচি, তুমি দ্যুলোক ও দ্যুলোকবিহারী, তুমি পরাসিদ্ধি ও পরম বল, তুমি বল ও বলদাতা, তুমি সাধনা ও সাধ্য। সর্বত্র ব্যাপক(বিষ্ণু) তুমি সাদকের ঋদয়ে বর্তমান। হে শুদ্ধসত্ত্ব(বৈষ্ণব-বিষ্ণুর উপাসক- শুক্ল যজুর্বেদ ৫/২১ ও ৫/২৫), পাপনাশক দেবতার অনুগ্রহ লাভের জন্য তোমাকে যেনো লাভ করি।
.........কৃষ্ণযজুর্বেদ ১/৪/১৪

নারীরা শিক্ষিত ছিলো

 



রাজা বিক্রমাদিত্য (১১০০শতাব্দী আজ থেকে ১০০০বছর পুর্বের) এর সময়ে নারীরা শিক্ষিত ছিলো। এটা তার প্রমান।

ছবিটি ইশ্বর মন্দিরের ভাষ্কর্য্যর

হরি হর সঙ্গম:

 হরি হর সঙ্গম।

ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হেতবে নিবেদয়ামি চাত্মানাম ত্বং গতিঃ পরমেশ্বর









ছবিটি মহাকালেশ্বর মন্দির, উজ্জয়িনী।

জয় বৃন্দাবনেশ্বরী

 জয় বৃন্দাবনেশ্বরী






বৃন্দাবন কালানাথু হৃদয়ানন্দ বর্ধনু।
শুখদু রাধিকা কৃষ্ণ ভজেস কুঞ্জ গামিনী।

Tuesday, April 20, 2021

শারীরক সুত্র কেনো বলা হয়?

 





 ‘ ‘তস্যৈষ আত্মা বিবৃণুতে তনুং স্বাম”

বাচ্য পরব্রহ্মের অভিন্ন বাচক এই শাস্ত্রকে ‘শারীরক’ শাস্ত্র বলা হয়। তজ্জন্যও ‘শারীর’ শব্দ অসঙ্গত নয়।