পরমহংস কাদের বলা হয়/যায়?
Saturday, August 26, 2023
পরমহংস কাদের বলা হয়/যায়?
Tuesday, August 22, 2023
শঙ্করাচার্য্য কতৃক রাধা ভিডিও:
শঙ্করাচার্য্য কতৃক রাধা ভিডিও:
কেউ মারা গেলে মন্ত্র ও শ্লোক উচ্চারন:
কেউ মারা গেলে মন্ত্র ও শ্লোক উচ্চারন:
প্রেহি প্রেহি পথিভিঃ পূর্ব্যেভির্য়ত্রা নঃ পূর্বে পিতরঃ পরেয়ুঃ। উভা রাজানা স্বধয়া মদন্তা য়মং পশ্যাসি বরুণং চ দেবং।’
সরলার্থ-হে জীবাত্মা! যে পথে আমাদের পূজ্য পিতৃপুরুষগণ (বিদ্বান মানবগণ) গিয়েছেন, তুমিও সেই পথে গমন করো এবং গমন করে প্রসন্নভাবে মুক্ত জীবাত্মা ও ঈশ্বর উভয়কে দেখো।
……………… ১০/১৪/৭
ঋগ্বেদ।
ওঁ কৃত্বা তু দুস্কৃতং কর্ম জানতা বাপ্যজানতা।
মৃত্যুকালবশং প্রাপ্য নরং পঞ্চত্বমাগতম।।
ধর্মাধর্মসমাযুক্তম লোভমোহসমাবৃতম।
দহেয়ং সর্ববগাত্রাণি দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু।।
অনুবাদ: তিনি জেনে বা না জেনে অনেক দুষ্কর্ম করে থাকতে পারেন। কালবশে মানুষ মৃত্যুবরণ করে থাকে। এ দেহ ধর্ম, অধর্ম, লোভ, মোহ প্রভৃতি দ্বারা আচ্ছাদিত ছিলো। হে অগ্নিদেব, আপনি সকল দেহ দগ্ধ করে দিব্যলোকে নিয়ে যান।
................. পুরোহিত দর্পন।
এতদ বৈ পরমং তপো যত্ প্রেতমপ্লবভ্যা দধতি
অনুবাদ: মৃতদেহ কাধে বহন করা এবং তা দাহ করা সর্বোচ্চ তপস্যা। এজন্যই এর নাম সৎকার।
................. বৃহদারন্যক উপনিষদ ৫/১১/১
শরীরদাহে পতাকাভাবাৎ
অনুবাদ: মৃত দেহকে দাহ করলে পতাকাদি দোষ লাগে না বরং ইহা পূর্ণ কর্ম।
..... ন্যায় দর্শন ৩/১/১
জাতস্য হি ধ্রুবমৃত্যো দ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ।
....... গীতা।
Wednesday, August 2, 2023
Friday, July 28, 2023
পঞ্চ দেবী:
পঞ্চ দেবী:
ত্বাং বিশো বৃণতাং রাজ্যায় ত্বামিমা: প্রদিশ: পঞ্চ দেবী:।
বর্ষ্মন্ রাষ্ট্রস্য ককুতি শ্রয়স্ব ততো ন
উগ্রো বি ভজা বসুনি।।২।।
অনুবাদ: হে রাজা, প্রজাগণ রাজকর্মে তোমার সেবা করুক। এ পরিদৃশ্যমান পূর্বাদি (উর্ধ্বসহ) পঞ্চদিকের অভিমানী দেবতা তোমাকে বরণ করুক। তারপর রাস্ট্রে শরীরে ককুদের মতো উন্নত স্থানে(অথবা সিংহাসনে) উপবেশন করে শত্রুর দ্বারা অনভিভূত হয়ে সেবক আমাদের যথাযোগ্য ধন দাও।
…….. অথর্ববেদ তৃতীয় কাণ্ড
প্রথম অনুবাক চতুর্থ সুক্ত দুই (৩/১/৪/২)
পঞ্চ দিশো দৈবীর্যজ্ঞমবন্ত্ত দেবীরপামতিং দুর্মতিং বাধমানা:।
রায়স্পোষে যজ্ঞপতিমাভজন্তী রায়স্পোষে আধ যজ্ঞো অস্থাৎ।।৫৪।।
অনুবাদ: পঞ্চ দৈবী দিক আমাদের দিক আমাদের দুর্মতি বিনাশ করে আমাদের যজ্ঞ রক্ষা করুক, যজমানকে ধনপুষ্টির ভাগী করুক, আমাদের যজ্ঞ সমৃদ্ধ হোক।৫৪।
.................. শুক্ল যযুর্বেদ ১৭ অধ্যায় মন্ত্র ৫৪।
শ্রী নারায়ন
উবাচ।
গণেশজননী দুর্গা
রাধা লক্ষ্মী: সরস্বতী।
সাবিত্রী চ
সৃষ্টিবিধৌ প্রকৃতি: পঞ্চধা স্মৃতা্ ।।১।।
অনুবাদ: ভগবান নারয়ন নারদকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, বৎস! যিনি বেদাদি সর্ব্ব শাস্ত্রেই ( ত্রিগুণসাম্যরস্থ মায়াশবলিত পরমক্ষ্মরুপিণী ‘প্রকৃতি’ নামে খ্যাত, সেই পরা প্রকৃতিই সৃষ্টিসময়ে গণেশজননী দুর্গা, রাধা, লক্ষ্মী, সরস্বতী ও সাবিত্রী এই পঞ্চমুর্তিতে আবির্ভূত হন।।১।।
....................দেবীভাগবত
নবম স্কন্দ প্রথম অধ্যায় এক নং শ্লোক। ( ৯/১/১)
কুরুক্ষেত্রিও যুদ্ধ সম্পর্কে তথ্য
কুরুক্ষেত্রিও যুদ্ধ সম্পর্কে তথ্য:
প্রশ্ন:
1/মহাভারতে যুদ্ধ কে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ বলা হয়েছে কেন ?
2/ এই যুদ্ধ কবে কখন শুরু হয়েছে কোন দিন শুরু হয়েছিল ।
3/ ঐ স্থানে কোন কোন নদী প্রবাহিত হয়েছিল ?
4/কোন দেবতার আশীর্বাদ ছিল ঐ স্থানের উপর ।
5/সেই সময় নক্ষত্রের অবস্থান কি ছিল? তারিখ সহো জানাবেন ।
উত্তর:
১) মহাভারতের মূল বৃত্তান্ত হল চন্দ্রবংশীয় দুই পরিবার পাণ্ডব ও কৌরব তথা ধর্ম ও অধর্ম পক্ষের মধ্যে মহাসংঘর্ষ। পঞ্চপাণ্ডব ও শতকৌরবের মধ্যে ভূমির অধিকার সম্পর্কিত যে যুদ্ধ হয়, তা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
২) যুদ্ধ ১৬ই অক্টোবর, ৫৫৬১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শুরু হয়েছিল।
৩) কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধটি পারুস্নি (পরবর্তী নাম রবি) নদীর তীরে সংঘটিত হয়েছিল।
৪) পাণ্ডুর প্রতি মৃগরূপী মুনির শাপ
৫) কৃষ্ণপক্ষের এই পঞ্চদশ দিন এবং শুক্ল প্রতিপদ এই ষোড়শ দিনই স্বৰ্য্য অস্তগত হইলেই একাদিক্ৰমে গন্ধকার হয়। মহাভারতের যুদ্ধের ষোড়শ দিন স্বর্য অস্তগত হইলেক্ট যপন অন্ধকুর ছিল তখন এই কৃষ্ণপক্ষেই মহাভারতের যুদ্ধ হইয়াছিল । এবং মহাভারতের যুদ্ধের প্রথম দিন কৃষ্ণা প্রতিপদ ছিল। অতএব কৃষ্ণ প্রতিপদে যুদ্ধ আরম্ভ হইয়াছিল।
Thursday, July 27, 2023
ব্রজনাথ কৃষ্ণই দ্রৌপদীর বস্ত্রহারণ থেকে রক্ষা করেছিলো:
ব্রজনাথ কৃষ্ণই দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ থেকে রক্ষা করেছিলো:
আসুন পড়ে দেখি:
অনুবাদ: রাজন! তখন দু:শাসন ঐ ভরা সভায় দ্রৌপদীর বস্ত্র বলপূর্বক ধরে টানতে শুরু করে দিলো। ৪০ ।। বৈশ্পায়ন বলেন- জনমেজয়! যখন বস্ত্র টান দিচ্ছিলো, তখন দ্রৌপদী ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণের স্বরণ নিলেন।৪০ ১/২। দ্রৌপদী মনে মনে বলেন- আমি পূর্বকালের মহাত্মা বশিষ্ঠজীর কথা পুরো স্বরণ রয়েছে যে খুব বিপদের সময় ভগবান্ শ্রীহরির স্বরণ করা উচিৎ।। বৈশ্পায়ণ জী বলেন- জনমেজয়! ঐ বিচারে দ্রৌপদী বারংবার ‘গোবিন্দ’ আর ‘কৃষ্ণ’ নাম নিয়ে বিড়বিড় করছিলেন আর বিপদকালীন সময়ে অভয়দানকারীলোকপুতিতাভয় নারায়ণ স্বরুপ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চিন্তা করেন।। হে গোবিন্দ! হে দ্বারকাবাসী শ্রীকৃষ্ণ! হে গোপাঙ্গনাদের প্রাণবল্লভ কেশব! কৌরব আমার অপমান করছে, আপনি কি জানছেন না? হে নাথ! হে রমানাথ! হে ব্রজনাথ! হে শঙ্কটনাশকারী জনার্ধন! আমি কৌরবরুপ সমুদ্রে ডুবে যাচ্ছি, আমাকে উদ্ধার করুন।।৪১-৪২।। সচ্ছিদানন্দনস্বরুপ শ্রীকৃষ্ণ! মহাযোগিন্! বিশ্বাত্মান্! বিশ্বভাবন্! গোবিন্দ! কৌরবদের মধ্যে কষ্ট পাওয়া মুক্ষ শরণাগত অবলাকে রক্ষা করো।।৪৩।। রাজন! এই প্রকার তিন লোকের স্বামী শ্যামসুন্দর শ্রীকৃষ্ণের বার বার চিন্তা করে আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে জোরে জোরে কাদঁতে লাগেন। ৪৪।। ধ্রুপদনন্দিনীর করুণ ডাক শুনে কৃপালু শ্রীকৃষ্ণ গলে গেলেন এবং আসন ছেড়ে দ্রুত পায়ে দৌড় দিলেন। যজ্ঞশেনকুমারী কৃষ্ণা(দ্রৌপদি) নিজের রক্ষা করার জন্য শ্রীকৃষ্ণ, বিষ্ণু, হরি এবং নর আদি ভগবানকে জোরে জোরে ডাকতে ছিলেন। ঐ সময় ধর্মস্বরুপ মহাত্মা শ্রীকৃষ্ণ অব্যক্তরুপে ওনার বস্ত্রে প্রবেশ করে অনেক অনেক সুন্দর বস্ত্র দ্বারা দ্রৌপদীকে ঢেকে ফেললেন।। ৪৫-৪৬।। জনমেজয়! দ্রৌপদীর বস্ত্র টান দেওয়ার সময় ঐভাবে অন্য অনেক বস্ত্র প্রকট হচ্ছিলো।।৪৭।। রাজন! ধর্মপালের প্রভাবে বহু ধরণের বহু রঙের বস্ত্র হচ্ছিলো।।৪৮।।
..................... শ্লোক (৪০-৪৮), অধ্যায় ৬৮, সভা পর্ব, মহাভারত(গীতাপ্রেস)
অনুবাদ: শ্রীকৃষ্ণ! চার কারণে আপনার আমাকে প্রতিদিন রক্ষা করা উচিৎ। এক আপনি আমার আত্মীয়। দুই অগ্নিকুণ্ড থেকে উৎপন্ন হওয়ায় গৌরবশালী, তিন আপনার সখী আর চার আপনি রক্ষা করতে সমর্থ।
....................... শ্লোক ১২৭, অধ্যায় ১২, বনপর্ব, মহাভারত(গীতা প্রেস)।
অনুবাদ: পাণ্ডবরা সবকিছু দেখছিলো তবুও তাদের ক্রোধ হয়নি এমনকি ওর হাত থেকে ছাড়ানোর চেস্টা করেনি ঐ সময় আমি (অত্যন্ত অসহায় হয়ে) মনে মনে আপনার চিন্তা করে বলেছিলাম- ‘গোবিন্দ! আমাকে রক্ষা করো’ (প্রভো! তখন আপনিই কৃপা করে আমার লজ্জ্বা বাচিয়েছেন।)।।
.................... শ্লোক নং ২৬, অধ্যায় ৮২, উদ্যোগ পর্ব, মহাভারত(গীতা প্রেস)।
Sunday, July 9, 2023
বৃহনারদীয় পুরান উপপুরান নয়, অস্টাদশ পুরান:
বৃহন্নারদীয় পুরান উপপুরান নয়, অস্টাদশ পুরান:
অস্টাদশ পুরানের নামের তালিকা:
নারদীয় ভাগবতমাগ্নেয়ং স্কান্দসংজ্ঞিতম্ ।।২৩
অনুবাদ: ব্রহ্মপুরাণ, পদ্মপুরাণ, বিষ্ণু পুরাণ, শিব পুরাণ, লিঙ্গ পুরাণ, গড়ুর পুরাণ, নারদ পুরাণ, ভাগবত পুরাণ, অগ্নি পুরাণ, স্কন্দপুরাণ, ভবিষ্য পুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, মার্কেন্ডেয় পুরাণ, বামন পুরাণ, বরাহ পুরান, মৎস পুরাণ, কূর্ম পুরাণ এবং ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ।
ব্রহ্মং পাদ্মং বৈষ্ণবঞ্চ শৈবং ভাগবতং ।
অনুবাদ: ব্রহ্ম পুরাণ, পদ্ম পুরাণ, বিষ্ণু পুরাণ, শিব পুরাণ, ভাগবত পুরাণ, ভবিষ্য পুরাণ, নারদ পুরাণ, মার্কেন্ডেয় পুরাণ, অগ্নি পুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, লিঙ্গ পুরাণ, বরাহ পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ, বামন পুরাণ, কূর্ম পুরাণ, মৎস পুরাণ, গরুড় পুরাণ, ব্রহ্মান্ড পুরাণ।
................... শিব পুরান, বায়বীয় সংহিতা, প্রথম অধ্যায়।
ব্রাহ্মং
পুরাণং প্রথমং পাদ্মং বৈষ্ণবমেব চ ।
শৈবং
ভাগবতং চৈব ভবিষ্যং নারদীয়কম্ ॥ ১.১৩
মার্কণ্ডেয়মথাগ্নেয়ং
ব্রহ্মবৈবর্তমেব চ ।
লৈঙ্গং
তথা চ বারাহং স্কান্দং
বামনমেব চ ॥ ১.১৪
কৌর্ম্মং
মাৎস্যং গারুড়ং চ বায়বীয়মনন্তরম্ ।
অষ্টাদশং
সমুদ্দিষ্টং ব্রহ্মাণ্ডমিতি সংজ্ঞিতম্ ॥ ১.১৫
.............. প্রথম অধ্যায়, পূর্বভাগ, কূর্ম পুরান।
অনুবাদ: তন্মধ্যে প্রথম ব্রাহ্মপুরাণ, দ্বিতীয় পদ্ম পুরাণ, তৃতীয় বিষ্ণু পুরাণ, চতুর্থ শিব পুরাণ, পঞ্চম ভাগবত পুরাণ, ষষ্ঠ নারদীয় পুরাণ, সপ্তম মার্কন্ডেয় পুরাণ, অস্টম অগ্নি পুরাণ, নবম ভবিষ্য পুরাণ, দশম ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, একাদশ লিঙ্গ পুরাণ, দ্বাদশ বরাহ পুরাণ, ত্রয়োদশ স্কন্দ পুরাণ, চতুদর্শ বামন পুরাণ, পঞ্চদশ কূর্ম্ম পুরাণ, ষোড়শ মাৎস্যপুরাণ, সপ্তদশ গরুড় পুরাণ, অস্টাদশ ব্রহ্মান্ড পুরাণ ।
…………… অধ্যায় ১৬, তৃতীয়াংশ, বিষ্ণু পুরাণ ।
নির্গতং
ব্রহ্মণো বক্ত্রাদ্ব্রাহ্মং বৈষ্ণবমেব চ ॥
শৈবং
ভাগবতং চৈব ভবিষ্যং নারদীয়কম্ ॥ ৫ ॥
মার্কণ্ডেয়মথাগ্নেয়ং
ব্রহ্মবৈবর্তমেব চ ॥
লৈঙ্গং
তথা চ বারাহং স্কান্দং
বামনমেব চ ॥ ৬
॥
কৌর্ম্যং
মাৎস্যং গারুড়ং চ বায়বীয়মনন্তরম্ ॥
অষ্টাদশং
সমুদ্দিষ্টং সর্বপাতকনাশনম্ ॥ ॥ ৭
॥
একমেব
পুরা হ্যাসীদ্ব্রহ্মাণ্ডং শতকোটিধা ॥ ৮ ॥
ততোঽষ্টাদশধা
কৃত্বা বেদব্যাসো যুগেয়ুগে ॥
প্রখ্যাপয়তি
লোকেঽস্মিন্সাক্ষান্নারায়ণাংশজঃ
॥ ৯ ॥
অনুবাদ: ব্রাহ্ম , বৈষ্ণব , শৈব , ভাগবত , ভবিষ্য , নারদীয় , মার্কণ্ডেয় আগ্নেয় , ব্রহ্মবৈবর্ত্ত , লৈঙ্গ , বারাহ, স্কান্দ , বামন , কৌৰ্ম্ম , মাৎস্য , গাড়ুর , বায়বীয় ও ব্ৰহ্মাণ্ড ; এই অষ্টাদশ মহাপুরাণ সর্ব্বপাপ - নাশক। পূর্ব্বে একমাত্র শতকোটি - শ্লোকাত্মক ব্রহ্মাণ্ড পুরাণই প্রাদুর্ভূত হইয়াছিল , পরে সাক্ষাৎ নারায়ণাংশজ বেদব্যাস যুগে যুগে তাহাকে অষ্টাদশ ভাগে বিভক্ত করেন ।
....................... স্কন্দপুরাণ
প্রভাস খণ্ড প্রভাসক্ষেত্র মাহাত্ম্য ২।৫-৯
ব্রাহ্মং মৃর্দ্ধা হরেরেব হৃদয়ং পদ্মসংজ্ঞিতম্।
বৈষ্ণবং দক্ষিণো বাহুঃ শৈবং বামো মহেশিতুঃ।।২।।
উরু ভাগবতৎ প্রোক্তং নাভিঃ স্যান্নারদীয়কম্।
মার্কেন্ডেয়ঞ্চ দক্ষাঙ্গির্বামো হ্যাগ্নেয়মুচ্যতে।।৩।।
ভবিষ্যং দক্ষিণা জানুর্বিষ্ণোরেরে মহাত্মনঃ।
ব্রহ্মবৈবর্ত্তসংজ্ঞম্ত্ত বামজানুরুদাহৃতঃ।।৪।।
লৈঙ্গম্ত্ত গুল্ ফকং দক্ষং বরাহং বামগুল্ ফকম্।
স্কান্দং পুরাণং লোমানি ত্বগস্য বামনং স্মৃতম্।।৫।।
কৌর্ম্মং পৃষ্ঠং সমাখ্যাতং মাৎস্যং মেদঃপ্রকীর্ত্ত্যতে
মজ্জা তু গারুড়ং প্রক্তোং ব্রহ্মাণ্ডমন্থি গীয়তে।।৬।।
অনুবাদঃ সেই মহেশিতা হরির ব্রহ্মপুরান মস্তক; পদ্মসংজ্ঞিত(পদ্মপুরান) হৃদয়; বৈষ্ণব (বিষ্ণু পুরান) দক্ষিন বাহু; শৈব (শিব পুরান) বাম বাহু; ভাগবত উরুদ্বয়, নারদীয় নাভি; মার্কেন্ডেয় দক্ষিন পদ; অগ্নেয়(অগ্নি পুরান) বাম পদ; ভবিষ্য মাহাত্মা বিষ্ণুর দক্ষিন জানু; ব্রহ্মবৈবর্ত্ত বাম জানু উদাহৃত হয়। লৈঙ্গ (লিঙ্গপুরাণ) দক্ষ গুলফ্; বরাহ বাম গুলফ; স্কান্দ(স্কন্দ) লোমরাজি; ও বামন ত্বক বলিয়া স্মৃত; কৌর্ম্ম (কূর্ম্মপুরাণ) পৃষ্ঠ বলিয়া সমাখ্যাত; মাৎস্য(মৎস্য পুরাণ) মেদ বলিয়া কীর্ত্তিত হয়। গারুড় (গরুড় পুরান) মজ্জা বলিয়া প্রক্তো; আর ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ অস্থি বলিয়া গীত হয়।
.............. ৩৩ অধ্যায়, স্বর্গ খন্ড, পদ্মপুরান।
ইতিহাসপুরাণানি ভিদ্যন্তে কালগৌরবাৎ ।
ব্রাহ্মং
পাদ্মং বৈষ্ণবং চ শৈবং ভাগবতং
তথা ॥
ভবিষ্যং
নারদীয়ং চ মার্কণ্ডেয়মতঃ পরম্
।
আগ্নেয়ং
ব্রহ্মবৈবর্তং লৈঙ্গং বারাহমেব চ ॥
বামনাখ্যং
ততঃ কূর্মং মাৎস্যং গারুড়মেব চ ।
স্কান্দং
তথা চ ব্রহ্মাণ্ডং তেষাং
ভেদঃ প্রকথ্যতে ॥
অনুবাদ: (১) ব্রহ্ম, (২) পদ্ম, (৩) বিষ্ণু, (৪) শিব, (৫) ভাগবত, (৬) ভবিষ্য, (৭) নারদ, (৮) মার্কণ্ডেয়, (৯) অগ্নি, (১০) ব্রহ্মবৈবর্ত্ত, (১১) লিঙ্গ, (১২) বারাহ, (১৩) বামন (১৪) কূর্ম, (১৫) মৎস্য, (১৬) গরুড়, (১৭) স্কন্দ (১৮) ব্রহ্মাণ্ড ।










